তলপেটের মেদ কমানো কঠিন নয় | When Queen Talks | Best Life stories ever
You cannot copy any content of this page! For Permission: Ferdous Ara. Thank You!

তলপেটের মেদ কমানো কঠিন নয়

মেদবহুল শরীর নিয়ে চলাফেরা করতে যেমন কষ্ট হয় তেমনি তা’ স্বাস্থ্যের জন্যও মারাত্মক হুমকিস্বরূপ হয়ে পড়ে। বর্তমানে শরীরকে মেদহীন রাখার জন্য রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয়। তবুও কেন জানি শরীর থেকে মেদ কমতেই চায় না। যদিও বা শরীরের অন্যান্য অংশ থেকে মেদ কমেও থাকে তবে তলপেটের মেদ যেন কিছুতেই কমতে চায় না। চলুন আজকে তাহলে কত দ্রুত এবং কতটা সহজ পদ্ধতিতে এই তলপেটের মেদ কমানো যায় সেই ব্যাপারে কথা বলা যাক।

একটি নির্দিষ্ট ব্যায়াম

অনেকগুলো ব্যায়াম নয় শুধুমাত্র একটি ব্যায়ামের মাধ্যমে আপনি আপনার তলপেটের মেদকে খুব সহজেই ঝরিয়ে ফেলতে পারেন। এই ব্যায়ামটি যদি আপনি নিয়মিত প্রতিদিন করতে থাকেন তবে আপনার তলপেটের মেদ খুব সহজেই কমতে থাকবে। যে কোনো সফলতা লাভ করার ক্ষেত্রে একটি ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হয়।

আজকে আপনি ব্যায়ামটি করলেন আবার দুদিন করলেন না, তাহলে কিন্তু এটার কোনো রেজাল্ট পাবেন না। তাই নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে কাজের ধারাবাহিকতা রাখতে হবে। ব্যায়ামটি যখন আপনি শুরু করবেন তখন থেকে সেটা প্রতিদিন নিয়ম করে একই সময়ে করতে থাকবেন। ব্যায়ামে কোনো গ্যাপ দিবেন না, তাহলে দেখবেন আপনি খুব দ্রুত রেজাল্ট পেয়ে গেছেন। তখন সত্যিই আপনার খুব আনন্দ লাগবে।

ব্যায়ামটি হলোঃ-

১. সোজা হয়ে দাঁড়ান।

২. এবার দুটো হাত উপরের দিকে তুলুন। যতটা উপরে হাত তোলা সম্ভব হয় ততটা তুলতে থাকুন। উপরে রাখা কোন দ্রব্য বা বস্তুকে হাতের নাগালে পাওয়ার জন্য আমরা হাতকে ওখানে পৌঁছানোর জন্য যেমন করে চেষ্টা করে থাকি ঠিক সেভাবেই হাত দুটোকে উপরের দিকে নিতে থাকবেন।

যেন মনে হবে আপনি উপর থেকে কোন কিছু ধরতে চাইছেন। সেটা হতে পারে আম গাছের উঁচু মগ ডাল থেকে আম ধরতে চাইছেন কিংবা বড়ই গাছ থেকে বড়ই, এমন আর কি।
এভাবে চেষ্টার ভেতরে এক মিনিট থাকবেন।

এরপর সেখান থেকে সরাসরি হাত দুটোকে মাটিতে পা’ এর কাছে নিয়ে আসবেন। অর্থাৎ আপনার শরীর এখন পুরোটাই বাঁকা হয়ে গেছে। আপনি যদি লম্বায় ষাট ইঞ্চি হয়ে থাকেন তাহলে আপনি এখন তিরিশে ইঞ্চিতে পরিণত হয়েছেন। আপনার দুটো হাত দিয়ে পায়ের গোড়ালির পেছনদিকটা ধরে রাখুন। এভাবে থাকুন এক মিনিট। এরপর আবার আগের পজিশনে ফিরে যান অর্থাৎ উপরের দিকে দুটো হাত তুলুন। উপরে এক মিনিট শেষ হলে আবার নিজের পজিশনে ফিরে আসুন। এভাবে পাঁচ বার করতে থাকুন। প্রতিদিন সকালে এই ব্যায়ামটি সেরে ফেলবেন।

ব্যায়ামটির ফলাফল

এই একটি মাত্র ব্যায়াম আপনাকে দেবে মেদহীন এক তলপেট। আপনি অবাক হয়ে যাবেন যে কত দ্রুত আপনার পেটের মেদ কমে গেছে। এই ব্যায়ামের মাধ্যমে মনকে সম্পূর্ণ রিলাক্স রাখা যায়। সকালেই যদি আপনি ব্যায়ামটি সেরে ফেলেন তবে সারাদিনের স্ট্রেস থেকে আপনি মুক্ত থাকবেন। এই ব্যায়ামটি পিঠের ব্যথা সারাতেও যথেষ্ট উপকারী।

ঝামেলা বিহীন ব্যায়াম

এই ব্যায়ামটি করতে কোন ইন্সট্রুমেন্টের প্রয়োজন পড়ে না। তাই বাড়তি কোনো ঝামেলাও নেই। ঘরের যেকোনো একটি কর্ণারে ব্যায়ামটি করা যায় বলে জিমনেসিয়ামে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।

আমি নিজেই অনেক ব্যায়াম করেছি। তবে এই ব্যায়ামের মাধ্যমে আমি যতটা দ্রুত রেজাল্ট পেয়েছি অন্য কোনো ব্যায়ামের মাধ্যমে পাইনি। তাই আপনাদের সাথে এটা শেয়ার করলাম।

তলপেটকে মেদ মুক্ত রাখতে চাইলে খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর সব নারী পুরুষের শরীরেই মেদ জমতে থাকে। তবে যদি সঠিকভাবে খাদ্য অভ্যাস গঠন করা যায় তবে এই মেদ থেকে শরীরকে মুক্ত রাখা কঠিন কোনো বিষয় নয়। বর্তমান যুগে নারী পুরুষ সকলেই স্বাস্থ্য সম্পর্কে আগের তুলনায় যথেষ্ট সচেতন হয়েছেন। এটি একটি ভালো লক্ষণ।

শরীর যাতে সুস্থ থাকে সেজন্য আমরা যদি নিজেরাই নিজেদের প্রতি যত্নশীল না থাকি তবে কে আমাদেরকে যত্ন করবে বলুন ? তাই নিজের সুস্থতার জন্য নিজেকেই নিজের প্রতি মনোযোগী হতে হবে। স্বাস্থ্য সচেতনতার কারণে আমরা এখন মোটামুটি কমবেশি অনেকেই জানি যে, কোন খাবারটি আমাদের শরীরে মেদ বৃদ্ধি করে এবং কোন খাবারটি আমাদের শরীরকে অসুস্থ করে তোলে। তাই সেই অনুযায়ী খাবারের লোভকে একটু সম্বরন করে চলাটাই হলো বুদ্ধিমানের কাজ।

টেস্টি খাবার গুলোই শরীরে মেদ বৃদ্ধি করে

আসলে যেসব খাবার গুলোতে মেদ বৃদ্ধি হয় সেসব খাবার গুলো খেতে খুব মন চায়। কারণ ফ্যাটি যুক্ত খাবার গুলোই সাধারণত বেশি টেস্টি হয়ে থাকে। যেমন বর্তমানে ফাস্ট ফুডের খাবার গুলো অত্যন্ত লোভনীয় হয়ে থাকে। এগুলো থেকে মন ফিরিয়ে রাখা সত্যিই বেশ কঠিন। তবুও যদি কখনো কখনো খেয়েই ফেলেন তবে সেটি যেন শরীরের মেদ বৃদ্ধি করতে না পারে এর বিকল্প পন্থা অনুসরণ করবেন।

সবচেয়ে বড় কথা হলো

প্রতিটি মানুষের সুস্থ থাকাটা হচ্ছে সবচেয়ে বড় কথা। আপনি যদি আপনার নিজের প্রতি মনোযোগ না দিয়ে থাকেন তবে যেকোনো মুহূর্তে আপনি অসুস্থ হয়ে যেতে পারেন। এর ফলে আপনি অন্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে যাবেন। তাই নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য ভালো রাখার জন্য যা কিছু করার প্রয়োজন তা করবেন। বর্তমানে যে কোন কিছু জানার জন্য আপনার হাতের মুঠোয় মোবাইল ফোনটিই যথেষ্ট। তাই আপনি কিভাবে ভাল থাকবেন, কিভাবে সুস্থ থাকবেন, জানতে হলে, আমাদের সাথেই থাকুন। আরো অনেক কিছু জানতে পারবেন।

আমার লেখালেখি করার মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের মঙ্গল করা। মানুষের সেবায় নিবেদিত হয়েই আমি লেখালেখি করা শুরু করেছি। আমার এই ব্লগে আপনি পাবেন ধর্মীয় জ্ঞান থেকে শুরু করে কিভাবে পারিবারিক, সাংসারিক এবং শারীরিক ভাবে ভালো থাকবেন সে সব বিষয়ে সম্পূর্ণ তথ্যাদি।

সাথেই থাকুন আর কোনো লেখা ভালো লাগলে সেগুলো মানুষের কল্যাণের জন্য শেয়ার করতে থাকুন।

Image: :Health and Weight Loss Blogs

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *